দিনাজপুরে একদিনে আরো ৫৮ জনসহ মোট করোনায়  আক্রান্ত ২০৯৫ জন এ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু 

দিনাজপুরে একদিনে আরো ৫৮ জনসহ মোট করোনায়  আক্রান্ত ২০৯৫ জন এ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু 

দিনাজপুরে একদিনে আরো ৫৮ জনসহ মোট করোনায়  আক্রান্ত ২০৯৫ জন এ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু 


এএনবি মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর থেকেঃ দিনাজপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আবারো বেড়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন আরো ৫৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ২০৯৫ জনে। এছাড়া নতুন ৫৬ জনসহ এ পর্যন্ত ১৪৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছেন। তবে আক্রান্ত ২০৯৫ জনের মধ্যে ১৪৫৬ জন সুস্থ ও ৪২ জনের মৃত্যু হওয়ায় বর্তমানে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে ৫৯৭ জন।  
দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, শনিবার (৮ আগষ্ট) রাত ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় ১৫৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে ৫৮ জনের দেহে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগির সংখ্যা দাড়ালো ২০৯৫ জনে। আর নতুন ৫৬ জনসহ এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪৫৬ জন। এছাড়া এ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।  
নতুন আক্রান্ত ৫৮ জনের মধ্যে সদর উপজেলাতেই ৩০ জন, পার্বতীপুরে ৮ জন, কাহারোলে একজন, বীরগঞ্জে একজন, বোচাগঞ্জে ৪ জন, বিরলে ৩ জন, হাকিমপুরে ৩ জন ও ফুলবাড়ী উপজেলায় ৮ জন। অপরদিকে নতুন সুস্থ ৫৬ জনের মধ্যে সদরে ২০ জন, পার্বতীপুরে ১১ জন, নবাবগঞ্জে ৩ জন, বিরামপুরে ১৫ জন, বিরলে ৬ জন ও কাহারোল উপজেলায় একজন। 
জেলায় আক্রান্ত ২০৯৫ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৯৩৪ জন, বিরলে ১২৫ জন, বিরামপুরে ২৩৫ জন, বীরগঞ্জে ৬৩ জন, বোচাগঞ্জে ৪৬ জন, চিরিরবন্দরে ১০৫ জন, ফুলবাড়ীতে ৯৪ জন, ঘোড়াঘাটে ৭২ জন, হাকিমপুরে ৪৬ জন, কাহারোলে ৭৭ জন, খানসামায় ৬১ জন, নবাবগঞ্জে ৮৮ জন ও পার্বতীপুর উজেলায় ১৪৯ জন।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১২ জন, বিরলে ৩ জন, বিরামপুরে ৩ জন, বীরগঞ্জে ৩ জন, বোচাগঞ্জে দুইজন, চিরিরবন্দরে ৫ জন, ফুলবাড়ীতে ৭ জন, কাহারোলে একজন, খানসামায় একজন, নবাবগঞ্জে দুইজন ও পার্বতীপুর উপজেলায় ৩ জন। তিনি জানান, দিনাজপুর জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৪০ জন। আর এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৩১ জন মৃত্যুবরণ করেছে বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ। 
এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ১৪৪টি নমুনাসহ এ পর্যন্ত ১২১৫৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর গত ২৪ ঘন্টায় ১৫৮টিসহ এ পর্যন্ত ১১৮৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ২৩৭ জনসহ এ পর্যন্ত ১৯৪৬৩ জনকে কোয়ান্টোইনে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ৫৩৫ জন, প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রয়েছেন ২৪ জন, হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬২ জন ও এ পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ।