পঞ্চগড় শহরের প্রবেশ দ্বারে ফল মার্কেট; দূর্ভোগে জনসাধারন দূর্ঘটনা ঘটছে হরহামাশা

প্রায় ১০/১৫ ফিটের রাস্তাটি ফলের বাজার গড়ে ওঠায় সংকুচিত হয়ে ৫/৭ ফিটে রুপ নিয়েছে। এই ফলের বাজারটির মাঝ পথে চলাচল করতে হয় জনসাধারন সহ সব স্তরের মানুষকে। জনসমাগমে এই রাস্তাটি ব্যস্তময় হয়ে থাকে।

 পঞ্চগড় শহরের প্রবেশ দ্বারে ফল মার্কেট; দূর্ভোগে জনসাধারন দূর্ঘটনা ঘটছে হরহামাশা

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড় জেলা শহরের প্রধান বাজার পঞ্চগড় রাজনগর বাজার। বাজারটিতে সব মিলিয়ে জনসাধারনের দূর্ভোগ দিন দিন বাড়ছেই। স্বল্প পরিসরের শহরটিতে জনসমাগম বাড়লেও বাড়ছে না মূল শহরের পরিধি। ফলে জায়গার ব্যবস্থা না হওয়ায় যেখানে-সেখানে ফল –ফলাদি সহ নানা রকম দোকান-পাট বসছে শহরটির রাস্তায়-রাস্তায়। দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থা চললেও পৌরসভা অথবা জেলা প্রশাসনের কোন উদ্যোগ নেই।

পঞ্চগড় শহরের প্রবেশ দ্বারের প্রথম রাস্তাটি ফলের বাজারে পরিণত হওয়ায় দূর্ভোগের শেষ নেই। পিছনের দোকানঘর কে রেখে সামনের চলাচলের রাস্তায় গড়ে উঠেছে ফলের দোকান-পাট। প্রায় ১০/১৫ ফিটের রাস্তাটি ফলের বাজার গড়ে ওঠায় সংকুচিত হয়ে ৫/৭ ফিটে রুপ নিয়েছে। এই ফলের বাজারটির মাঝ পথে চলাচল করতে হয় জনসাধারন সহ সব স্তরের মানুষকে। জনসমাগমে এই রাস্তাটি ব্যস্তময় হয়ে থাকে। শহরের প্রধান রাস্তাটির এমন অবস্থায় তিক্ত-বিরক্ত অনেকেই। কখনো কখনো এমন জট লাগে অনেকেই দূঘর্টনার শিকার হন। দুই একটা মোটর সাইকেল ভ্যান রিকসা এ রাস্তয়া প্রবেশ করলেই যানজটে বেশ বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়। ঘটে দূর্ঘটনা। শীতকালেও বসে শীতবস্ত্রের দোকান।

রাস্তাটির পশ্চিমে মাকের্ট থাকলেও সেটি বন্ধ আছে। পূর্বেও ফলের দোকান সারি-সারি। কেউ কেউ দোকান-ঘর গুলি বন্ধ রেখে সামনের জায়গায় ফল ব্যবসায়িদের জায়গা করে দিয়ে ভাড়া নিচ্ছে। অভিযোগ করেছে পাশের কোন কোন দোকান মালিক। তারা এমন অবস্থা আর দেখতে চায়না। একজন অভিযোগ করেন যে ‘ দিন দিন রাস্তার উপড়েই ফলের দোকান বৃদ্ধি পাচ্ছে ‘ অথচ কেউ কিছু বলছে না। আমরা ভিতরে বসে ব্যবসা করতে পারছিনা।

এদিকে বাজারটির মেডিসিন রোডে ঢুকতে ফলের বাজারে ত্রি-মূখি রাস্তায় পরিণত হয়ে দ-ুপাশে দুইভাগে ভাগ হয়ে ২/১ ফি রাস্তায় রুপ নিয়েছে। একদিকে গোস্তের বাজার অন্যদিকে মেডিসিন মার্কেট। এ যেন মৃত্যুর ফাঁদ ‘। কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা নেই। যে যার মতো করে সকাল হলেই ফল-ফলাদির দোকান নিয়ে বসে’। বিড়ম্বনার শেষ নেই।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কথা বললে ‘ একজন ফল বিক্রেতা বলেন তিনি এই জায়গায় ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করেন। কে ভাড়া নেন জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘ কবির। পাশের অন্যজন বলেন ‘ গরীব মানুষ কি করবো ‘ করে মিলে খাচ্ছি’। কয়েকজন ফল ব্যবসায়ি বলেন ‘ পৌরসভা র্দীঘ দিনেও একটি পৌর মার্কেট করতে পারলো না’। আমরা কোথায় যাবো।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় পৌর মেয়র মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন ‘ সমস্যা তো আছে ‘ লোক সংখ্যা বাড়েছে আমরা চেষ্টা করছি এর সমাধান করতে। জায়গা পাওয়া যাচ্ছেনা‘ ফলের মৌসুম সময়টাও ভালো নয়। পরিস্থিতি ভালো হোক ‘ তারপর দেখি কি করা যায়।