পঞ্চগড় সীমান্তে বাঘের আনাগোনা; খেয়ে ফেলছে পোষাপ্রাণি

আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। বাঘের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে গ্রামের মানুষ রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে। স্থানীয়রা  পঞ্চগড় তেতুলিয়া মহাসড়কের দশ মাইল মহুরিজোত নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় এরা বাঘটিকে দেখে ফেলে পরে চিল্লাচিল্লি করলে গ্রামের সমস্ত মানুষ ঘটনাস্থলে এসে বাঘটিকে খুঁজাখুঁজি শুরু করে।

পঞ্চগড় সীমান্তে বাঘের আনাগোনা; খেয়ে ফেলছে পোষাপ্রাণি

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড় সদর উপজেলার সীমান্তে বাঘের আনাগোনায় মানুৃষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কয়কদিন ধরে এমন ঘটনা ঘটছে বলে সেখানকার লোকজন জানিয়েছেন।জানা গেছে, সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের মুহুরীজোত সহ এখানাকার তিন  গ্রামে পাশ্ববর্তী ভারত থেকে আসা বাঘের আনাগোনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।  একের পর এক গৃহপালিত পশু খেয়ে ফেলছে বাঘ। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। বাঘের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে গ্রামের মানুষ রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে। স্থানীয়রা  পঞ্চগড় তেতুলিয়া মহাসড়কের দশ মাইল মহুরিজোত নামক স্থানে রাস্তা পারাপারের সময় এরা বাঘটিকে দেখে ফেলে পরে চিল্লাচিল্লি করলে গ্রামের সমস্ত মানুষ ঘটনাস্থলে এসে বাঘটিকে খুঁজাখুঁজি শুরু করে।

এরপর ওই রাতেই মুহুরীর জোত গ্রামের কবির হোসেন বাড়ির গোয়াল ঘরে বাঘটি হামলা চালায় একটি ছাগল খেয়ে ফেলে। পরের রাতে হিন্দু পাড়া গ্রামের আরো একটি ছাগল খেয়ে ফেলে, সাহেবী জোত গ্রামের আকবর হোসেনের মুরগীর খোপড়ায় আক্রমন। এতে প্রতিনিয়ত বাঘ আতঙ্ক বিরাজ করছে মুহুরীর জোত, হিন্দু পাড়া, সাহিবিজোত সহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে। বাঘ আতঙ্কে গ্রামের নারী-শিশু-বৃদ্ধ সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন রাতে টর্চ লাইট ও লাঠি সোটা নিয়ে বের হলে চার হাত লম্বা আকৃতির বাঘ দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন। এই বিষয়ে এলাকাবাসী, রমজান আলী (৪০) জানান, বেশ কিছুদিন থেকে এই এলাকায় একটি বাঘ দেখা যাওয়ায় এলাকাবাসী আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তবে বাঘটি দীর্ঘদিন আশেপাশে ঘুরাফেরা করলেও কোনো মানুষকে ক্ষতি করেনি। বাঘটি বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে ভেসে আসতে পারে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ব্যাপারে পঞ্চগড় সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা  আব্দুল হাই জানান, পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে বন্যার পানিতে ভেসে আসতে পারে। আমরা বিষয়টির প্রতি লক্ষ্য রাখছি।’