রোহিঙ্গা ইস্যু: গাম্বিয়ার পাশে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস

রোহিঙ্গা ইস্যু: গাম্বিয়ার পাশে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস

রোহিঙ্গা ইস্যু: গাম্বিয়ার পাশে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস

এএনবি (ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক)  ঃ রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও গণহত্যার দায়ে জাতিসংঘের বিচার আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলায় এবার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে লড়ার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস। বুধবার পৃথক দুটি বিবৃতিতে নিজেদের অবস্থানের কথা জানায় তারা।

বিবৃতিতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাসোঁয়া ফিলিপ শ্যাম্পে ও নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফ ব্লক বলেন, রোহিঙ্গা গণহত্যায় জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় অন্য দেশগুলোকেও এই ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানায় দেশ দুটি। পাশাপাশি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসির) আওতাভুক্ত দেশগুলোকে আরো তৎপর হতে বলেন তারা।

গাম্বিয়ার প্রশংসা করে বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারের গণহত্যাকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে তারা অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ করেছে।

তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদলু এজেন্সির খবরে বলা হয়, এতদিন আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়া একাই লড়াই করে আসছিল। এবার কানাডা ও নেদারল্যান্ডসকে পাশে পাচ্ছে তারা এবং দেশ দুটি সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া আরো গতিশীল করতে প্রয়োজনে মামলার ব্যয়ভার বহন করতেও প্রস্তুত তারা।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

এর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বরে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসির) সহায়তায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। অভিযোগ পত্রে তারা জানায়, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বৌদ্ধরা সাড়ে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ওপর নৃশংস নির্যাতন চালিয়ে গ্রামগুলো পুড়িয়ে দিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা, আহত ও নারীদের ধর্ষণ করেছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন শুনানি চলে। এরপর এ বছরের ২৩ জানুয়ারি নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এ মামলার গুরুত্বপূর্ণ রায় দেন। সেখানে আদশে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে ৬ লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। এমতাবস্থায় মিয়ানমারকে গণহত্যা রোধ, প্রমাণাদি ধ্বংস করা বন্ধ করা ও এ বিষয়ে চার মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে।