৩০ মে’র পর ছুটি আর নাও বাড়তে পারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা হতে পারে দোকানপাট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান

৩০ মে’র পর ছুটি আর নাও বাড়তে পারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা হতে পারে দোকানপাট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান

করোনা ভাইরাসের কারণে পুরো পৃথিবী যেন থমকে গেছে । বন্ধ রয়েছে বিশ্বের সব ছোট বড় শপিংমল ও মার্কেটগুলো। গত ২৬ মার্চ থেকে করোনার ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে বাংলাদেশেও চলছে সাধারণ ছুটি । সেই সাথে বন্ধ রাখা হয় দেশের সকল দোকানপাট ও শপিংমল। এমন অবস্থায় ২৯ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দেশের সব বিপণি বিতান ও মার্কেটগুলো। তবে ৩০ তারিখ থেকে মার্কেট খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি।

মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে খোলা হয়েছিলো সারাদেশের দোকানপাটগুলো। 

 এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, মহানগর দোকান মালিক সমিতির গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহানগরের সব বাণিজ্য বিতান ও শপিং মল ইদের দিন থেকে ২৯ মে শুক্রবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

ফলে আগামী ৩০ মে শনিবার থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিধি-নিষেধ মেনে যথানিয়মে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় দেশে গত ২৬ মার্চ থেকে টানা ছুটি চলমান রয়েছে। আগামী ৩০ মে  সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। টানা ছুটির কারণে ইতিমধ্যে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থবির হয়ে পরেছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ফলে দারিদ্রতা বাড়ছে।

করোনা পরিস্থিতির পাশাপাশি চলার পরিকল্পনা করছে সরকার। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে কাজে ফেরাতে চান দেশের নীতি নির্ধারকরা। ফলে ৩০ মে’র পর ছুটি আর নাও বাড়তে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এমন ইঙ্গিতই পাওয়া গেছে।